চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। টাকা ফেরত চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক পরিবারের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন মা ও ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা ইউনুচ আলীর ছেলে শিপলু আলীর কাছ থেকে একই গ্রামের জীবন আলীর ছেলে শিহাব (২২) গত দুই মাস আগে পারিবারিক সমস্যার কথা বলে ২৩ হাজার টাকা ধার নেন। ঋণের মেয়াদ শেষ হলেও শিহাব টাকা ফেরত না দিয়ে দিনের পর দিন নানা অজুহাত দিতে শুরু করেন।
ভুক্তভোগী শিপলু আলী জানান, গত ৩রা এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় অভিযুক্ত শিহাবসহ তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিপলুর বাড়ির সামনে আসে। অভিযুক্তরা হলেন, শিহাব (২২), আকরাম (৫৫), কামাল (৫০), জিয়া (৪০)
অভিযুক্ত জিয়া পরিচিত হওয়ার সুবাদে শিপলুকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করেন। শিপলু বাইরে আসা মাত্র কোনো কথা ছাড়াই অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। গালি দিতে নিষেধ করায় অভিযুক্তরা ধারালো দা দিয়ে শিপলুর মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে।
শিপলু হাত দিয়ে তা প্রতিহত করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দাটি মাটিতে পড়ে যায়।
এ সময় শিপলুর চিৎকারে তার বাবা, মা ও স্ত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও চড়াও হয়।
হামলাকারীদের মারধরে শিপলুর মায়ের হাত ভেঙে যায় এবং পায়ের পাতায় ধারালো অস্ত্রের কোপ লাগে। এ সময় শিপলুর স্ত্রীকেও শ্লীলতাহানি ও লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলা শেষে অভিযুক্তরা পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং পুরো পরিবারটি চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে শিপলু আলী বাদী হয়ে উল্লিখিত চারজনের নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এই বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান: "আমরা এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এলাকাবাসীর দাবি, পাওনা টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এভাবে নিরীহ পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তারা দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। টাকা ফেরত চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক পরিবারের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন মা ও ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা ইউনুচ আলীর ছেলে শিপলু আলীর কাছ থেকে একই গ্রামের জীবন আলীর ছেলে শিহাব (২২) গত দুই মাস আগে পারিবারিক সমস্যার কথা বলে ২৩ হাজার টাকা ধার নেন। ঋণের মেয়াদ শেষ হলেও শিহাব টাকা ফেরত না দিয়ে দিনের পর দিন নানা অজুহাত দিতে শুরু করেন।
ভুক্তভোগী শিপলু আলী জানান, গত ৩রা এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় অভিযুক্ত শিহাবসহ তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিপলুর বাড়ির সামনে আসে। অভিযুক্তরা হলেন, শিহাব (২২), আকরাম (৫৫), কামাল (৫০), জিয়া (৪০)
অভিযুক্ত জিয়া পরিচিত হওয়ার সুবাদে শিপলুকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করেন। শিপলু বাইরে আসা মাত্র কোনো কথা ছাড়াই অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। গালি দিতে নিষেধ করায় অভিযুক্তরা ধারালো দা দিয়ে শিপলুর মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে।
শিপলু হাত দিয়ে তা প্রতিহত করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দাটি মাটিতে পড়ে যায়।
এ সময় শিপলুর চিৎকারে তার বাবা, মা ও স্ত্রী ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও চড়াও হয়।
হামলাকারীদের মারধরে শিপলুর মায়ের হাত ভেঙে যায় এবং পায়ের পাতায় ধারালো অস্ত্রের কোপ লাগে। এ সময় শিপলুর স্ত্রীকেও শ্লীলতাহানি ও লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলা শেষে অভিযুক্তরা পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং পুরো পরিবারটি চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে শিপলু আলী বাদী হয়ে উল্লিখিত চারজনের নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এই বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান: "আমরা এই সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এলাকাবাসীর দাবি, পাওনা টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এভাবে নিরীহ পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তারা দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন