নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মামুন (২০) নামে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ডাঙা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১ এপ্রিল) রাবেয়া নামে এক প্রতিবেশী ফুফু মামুনকে ডেকে নিয়ে তাদের এবং প্রতিবেশী আজিজুলের গাছ থেকে ডাব পাড়াতে বলেন। পাড়া শেষে ডাবগুলো দুই পরিবারের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। কিন্তু আজিজুল এই ভাগবাটোয়ারা নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে মামুনের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।
বিরোধের এক পর্যায়ে আজিজুল মামুনের বাড়িতে গিয়ে বসতঘরের টিন ও তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম অটোরিকশাটি ভাঙচুর করেন। বিষয়টি মীমাংসার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উদ্যোগ নিলেও আজিজুল তা মানতে অস্বীকৃতি জানান।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে আজিজুল কৌশলে মামুনকে ডেকে বাড়ির পাশের একটি ইটভাটার পশ্চিম পাশে নিয়ে যান। সেখানে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মামুনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যান আজিজুল। পরে স্থানীয়রা গুরুতর জখম অবস্থায় মামুনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পলাশ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান: "নিহত মামুনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের হয়নি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আজিজুল পলাতক রয়েছেন। এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মামুন (২০) নামে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ডাঙা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১ এপ্রিল) রাবেয়া নামে এক প্রতিবেশী ফুফু মামুনকে ডেকে নিয়ে তাদের এবং প্রতিবেশী আজিজুলের গাছ থেকে ডাব পাড়াতে বলেন। পাড়া শেষে ডাবগুলো দুই পরিবারের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। কিন্তু আজিজুল এই ভাগবাটোয়ারা নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে মামুনের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।
বিরোধের এক পর্যায়ে আজিজুল মামুনের বাড়িতে গিয়ে বসতঘরের টিন ও তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম অটোরিকশাটি ভাঙচুর করেন। বিষয়টি মীমাংসার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উদ্যোগ নিলেও আজিজুল তা মানতে অস্বীকৃতি জানান।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে আজিজুল কৌশলে মামুনকে ডেকে বাড়ির পাশের একটি ইটভাটার পশ্চিম পাশে নিয়ে যান। সেখানে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মামুনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যান আজিজুল। পরে স্থানীয়রা গুরুতর জখম অবস্থায় মামুনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পলাশ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান: "নিহত মামুনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের হয়নি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আজিজুল পলাতক রয়েছেন। এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন