ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাকরির অভিযোগ
ছবিঃ বিপ্লবী বার্তা

ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে চাকরির অভিযোগ উঠেছে বুলারাটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা।


অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদরের বুলারাটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি ১৯৮৩ সালে স্থাপিত হয়। মাদ্রাসাটিতে চার জন শিক্ষকের অনুদান ভাতা চালু আছে। ২০১৫ সালে অত্র মাদ্রাসায় জুনিয়র মৌলবী শিক্ষক হিসেবে সাইফুল আলম ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে অবৈধ নিয়োগ নিয়ে চাকরি করছেন। আবেদনের অনুলিপি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং উক্ত মাদ্রাসার সভাপতিকে প্রেরণ করা হয়েছে। 


জানা যায়, সরকারি বিধি মোতাবেক কমপক্ষে সর্বনিম্ন একটা থার্ড ডিভিশন ও একটা সেকেন্ড ডিভিশন না হলে চাকরি করা যায় না। কিন্তু গত ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে অত্র মাদ্রাসার অফিস কক্ষে নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করে চাকরি গ্রহণ করেন। সেখানে তিনি দাখিল পরীক্ষায় ১৯৯৮ সালের তৃতীয় বিভাগ এবং ২০০০ সালে আলিম পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগ পেয়েছেন মর্মে কাগজপত্র প্রদান করেন।


পরবর্তীতে দেখা যায় তিনি আলিম পরীক্ষায় ২০০০ সালে মাহমুদপুর আমিনা আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করে ৩৪৯ নাম্বার পেয়ে থার্ড ডিভিশনে কৃতকার্য হয়। যা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও রয়েছে। অথচ জাল জালিয়াতি করে তৃতীয় বিভাগ পেয়েও আলিম পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগ দেখিয়ে তিনি চাকরি করছেন।


অভিযোগকারী ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে নিয়োগ গ্রহণকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।  


এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হোসেন জানান অভিযোগ পেলে বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।