টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভক্তের সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে স্থানীয় বাউল শিল্পী এম এ হানিফ সরকারের বাৎসরিক ওরশ বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে সখীপুর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (৩০ নভেম্বর) গাজীপুরের বাসন থানার এক ভুক্তভোগী নারী সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগকারী নারী গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় ১০ বছর আগে হানিফ বাউলের সাথে তার পরিচয় হয় এবং পরে তিনি তার মুরিদ হন। কিছুদিন পর থেকেই বাউল হানিফ তাকে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিতে শুরু করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘হানিফ বাউল আমাকে বলতেন, আমি তোমার জগৎস্বামী, আমার কথা না শুনলে ইহকাল পরকাল কোনোটাই পাবে না। এই ভয় দেখিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন।’
নারীর দাবি, তার স্বামী বাড়ির বাইরে থাকলে বাউল হানিফ রাত কাটিয়ে যেতেন এবং সকালে চলে যেতেন। বিষয়টি জানার পর প্রথম সংসার ভেঙে যায়। পরবর্তীতে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করলেও একইভাবে সম্পর্ক চলতে থাকে, যা টের পেয়ে দ্বিতীয় স্বামীও তাকে ছেড়ে চলে যান।
তিনি বলেন, 'তার কারণে আমার দুটি সংসার নষ্ট হয়েছে। প্রথম ঘরের সন্তানের মুখও দেখতে পারি না। আমি হানিফ বাউলের বিচার চাই।'
অভিযুক্ত হানিফ বাউলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে বারবার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, 'হানিফ বাউলের ওরশে অনৈতিক কার্যকলাপ হয় এমন অভিযোগ ছিল। একই বিষয়ে গাজীপুরের বাসন থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। ঘটনাস্থল বাসন থানার আওতায় হওয়ায় অভিযোগটি সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ওরশ আয়োজনের জন্য প্রশাসনের কোনো অনুমতিও নেয়নি। তাই মেলাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।'
অভিযোগকারী নারী গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় ১০ বছর আগে হানিফ বাউলের সাথে তার পরিচয় হয় এবং পরে তিনি তার মুরিদ হন। কিছুদিন পর থেকেই বাউল হানিফ তাকে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিতে শুরু করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘হানিফ বাউল আমাকে বলতেন, আমি তোমার জগৎস্বামী, আমার কথা না শুনলে ইহকাল পরকাল কোনোটাই পাবে না। এই ভয় দেখিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন।’
নারীর দাবি, তার স্বামী বাড়ির বাইরে থাকলে বাউল হানিফ রাত কাটিয়ে যেতেন এবং সকালে চলে যেতেন। বিষয়টি জানার পর প্রথম সংসার ভেঙে যায়। পরবর্তীতে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করলেও একইভাবে সম্পর্ক চলতে থাকে, যা টের পেয়ে দ্বিতীয় স্বামীও তাকে ছেড়ে চলে যান।
তিনি বলেন, 'তার কারণে আমার দুটি সংসার নষ্ট হয়েছে। প্রথম ঘরের সন্তানের মুখও দেখতে পারি না। আমি হানিফ বাউলের বিচার চাই।'
অভিযুক্ত হানিফ বাউলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে বারবার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, 'হানিফ বাউলের ওরশে অনৈতিক কার্যকলাপ হয় এমন অভিযোগ ছিল। একই বিষয়ে গাজীপুরের বাসন থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। ঘটনাস্থল বাসন থানার আওতায় হওয়ায় অভিযোগটি সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ওরশ আয়োজনের জন্য প্রশাসনের কোনো অনুমতিও নেয়নি। তাই মেলাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।'

