নরসিংদী-৪(বেলাব-মনোহরদী) থেকে চতুর্থবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। চতুর্থবার বিজয়ী হওয়ার পর ব্যপক আনন্দ উচ্ছ্বাস নেতা-কর্মীদের মাঝে। যার কারণে প্রবিণ রাজনীতিবিদ এবং সংসদ সদস্য হিসেবে অভিজ্ঞতার ভান্ডার সমৃদ্ধ থাকায় সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
দুই একদিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ হতে পারে। এরপর শুরু হবে মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাচ্ছেন এ নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা পর্যালোচনা। এমন আলোচনা এখন চা স্টল থেকে শুরু করে সকল স্থানে। এই আলোচনায় উঠে আসে সাখাওয়াত হোসেন বকুলের নাম। শুধু আলোচনা নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও পোস্ট দিচ্ছেন অনেক নেতাকর্মী।
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার অনেক সমৃদ্ধ। ইতিপূর্বে তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস ছিলেন। এর পরে ১৯৯১ সালে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ এবং ২০০১ আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাবেক সেনাপ্রধান (অব.) লে. জেনারেল নূর উদ্দিন খানকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে তিনি চতুর্থবারের মতো বিজয়ী হলেন।
মনোহরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক মুজিবুর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে তাকে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার দাবি জানাই।
মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন বলেন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল সব সময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি বিপুল ভোটে চতুর্থবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মন্ত্রীর আসন দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের আশা পূরণ করার দাবি জানাচ্ছি।
নরসিংদী জেলা বিএনপির জেষ্ঠ্য সহসভাপতি সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকত বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় যেখানেই গিয়েছি সেখানেই মানুষ প্রত্যাশা জানিয়েছে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বিজয়ী হয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। দলে তার অনেক অবদান রয়েছে। তিনি দলের সবাইকে সুসংগঠিত করেছেন।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৭৪৪ ভোট।

