প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
‘৭ নভেম্বর জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথনির্দেশক’—এমপি বাবর
মো: তাছিন জায়েফ, গোবিপ্রবি ||
‘৭ নভেম্বর শুধু একটি দিবস নয়, এটি আমাদের জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথনির্দেশক।’ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।শনিবার (৭ নভেম্বর) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, মসজিদে দোয়া মাহফিল ও মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর আদর্শ ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রধান নীতি হলো, সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখতে হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ ও এ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে স্থানীয়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে পারব।সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, ‘আমরা যার আদর্শে অনুপ্রাণিত হই, তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর দলের প্রধান স্লোগান—ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। আমরা যদি এই দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসি এবং বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দেখতে চাই, তাহলে আমাদের সকলের এই বিষয়টি মানা উচিত যে, ব্যক্তি বড় নয়, দল বড় নয়, বাংলাদেশ সবার আগে।’তিনি আরও বলেন, দেশকে উন্নত করতে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সূচনা হয়েছে। এদিন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। তাঁর বিরল নেতৃত্বেই দেশে সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব যখন সংকটে পড়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। গৌরবের সেই সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।এ ছাড়া সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ।অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশক: শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কাইয়ুম তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি, হাউস-২, রোড-৬, ব্লক-কে, আফতাবনগর, ঢাকা ১২১২।
কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা