প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অ্যালামনাইকে একীভূত করার বিষয়ে উভয় পক্ষই ইতিবাচক: ইবি উপাচার্য
মাওয়াজুর রহমান , ইবি ||
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পৃথক দুটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে একীভূত করার বিষয়ে উভয় পক্ষই ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিএনপিপন্থী ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’-এর সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।উপাচার্য বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি অ্যালামনাইকে একীভূত করতে আমি ব্যক্তিগতভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে ঢাকায় বসার প্রস্তাবও দিয়েছি। আশা করি, সবার সহযোগিতায় অ্যালামনাইকে এক জায়গায় এনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারব। এর মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, এলামনাইয়ের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততা বাড়াতে চায় প্রশাসন। এ ক্ষেত্রে তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সামনে রেখে দল-মতনির্বিশেষে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ শিপন ও সাধারণ সম্পাদক ড. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শতাধিক অ্যালামনাই প্রতিনিধি এতে অংশ নেন। এ ছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন, সাধারণ সম্পাদক রাফিজ আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময়কালে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রশাসনকে আন্তরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে পাশে থাকার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তারা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ শিপন বলেন, আমরা ঢাকা থেকে প্রায় ৬০ জন সদস্যের একটা প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এসেছিলাম। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় কারেছি। সেখানে গাম্বিয়ার একটা ছাত্রের সাথে কথা বলেছি। খুবই নিডি ফ্যামিলি থেকে এসেছে বাংলাদেশে এবং সে আজ পাঁচ বছর একবারেও সে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেনি। তার জন্য আমরা বৃত্তির ব্যবস্থা করেছি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আমাদের সব উদ্যোগ আন্তরিকতা থেকেই নেওয়া। দিনব্যাপী এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ইতিবাচক ফল আসবে বলে আশা করছি।এর আগে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে কর্মকর্তা সমিতি, জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিট, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম এবং সহায়ক, সাধারণ ও টেকনিক্যাল সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যালামনাই প্রতিনিধিরা। পরে শিক্ষক সংগঠন ইউট্যাব ও জিয়া পরিষদের শিক্ষক ইউনিট, শিক্ষার্থী এবং প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক সমিতি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন তারা।
প্রকাশক: শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কাইয়ুম তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি, হাউস-২, রোড-৬, ব্লক-কে, আফতাবনগর, ঢাকা ১২১২।
কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা