প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চবিতে হল সংসদের ভিপিকে ‘পিটিয়ে বের করে দেওয়ার’ হুমকি ছাত্রদল নেতার
মো. রাব্বি হোসেন, চবি ||
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) রিপুল চাকমাকে ‘চাকসুর মেয়াদ গুনে গুনে ২৮ দিন আছে, এরপর পিটিয়ে বের করে দেব’ বলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নাছিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হলটির ৩১৩ নম্বর কক্ষে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী থাকার অভিযোগের পর হল প্রশাসনের এক শিক্ষক ও হল সংসদের কয়েকজন সদস্য সেখানে গেলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।তবে নাছিম উদ্দিনের দাবি, রিপুল চাকমা তাকে গালি দেওয়ার পরই তিনি এমন হুমকি দেন।হল সংসদ ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ৩১৩ নম্বর কক্ষে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী থাকার অভিযোগ পেয়ে হলটির সিনিয়র আবাসিক শিক্ষক ড. মো. নূরে আলমসহ হল সংসদের কয়েকজন সদস্য সেখানে যান। তবে কক্ষে অবৈধভাবে কোনো শিক্ষার্থী থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়।রিপুল চাকমার অভিযোগ, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নাছিম উদ্দিন তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘চাকসুর মেয়াদ গুনে গুনে ২৮ দিন আছে, এরপর পিটিয়ে বের করে দেব।’রিপুল চাকমা বলেন, “গতকাল আমি দেখি কয়েকটি জিনিসপত্র নিয়ে একজন শিক্ষার্থী হলে আসে এবং বলে সে ৩১৩ নম্বর রুমে উঠেছে। এ নিয়ে আমি গ্রুপে কথা বলি। পরে স্যারসহ আমরা সেখানে যাই। সেখানে একপর্যায়ে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়।”তিনি বলেন, “এ রুম নিয়ে আগে থেকেই ঝামেলা রয়েছে। এখানে বিশেষ বিবেচনায় সিট দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক রুমে চারটি করে সিট থাকলেও তারা সেখানে পাঁচটি সিট নিয়েছে। আমাদের প্রার্থনা রুম থেকে একটি সিট নিয়ে সেখানে দেওয়া হয়েছে। এ হলেই সিট বরাদ্দের সময় রুম খালি রেখে ছাত্রদলের পরিচয় দিয়ে রুম দেওয়া হয়েছে।”তবে তাকে গালি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে রিপুল চাকমা বলেন, “আমি কক্ষে কাউকে গালি দিইনি।”অভিযোগের বিষয়ে নাছিম উদ্দিন বলেন, “আমি তাকে বললাম, আমাদের রুম নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিতে পারিস না। তখন সে বলে, এটা তার অধিকার। আমাকে গালি দিলে আমি তখন তাকে হুমকি দিই। আমাকে গালি দেওয়ার জন্য তাকে ভিপি বানানো হয়নি। আমি হুমকি দিয়েছি, তবে আমাকে গালি দেওয়ার পর বলেছি।”এ বিষয়ে হলটির সিনিয়র আবাসিক শিক্ষক ড. মো. নূরে আলম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ৩১৩ নম্বর রুমে যাই। কিন্তু রুমে যারা থাকে তারা জানায় অবৈধ কেউ নেই, তারা অতিথি ছিল, ঘুরার জন্য এসেছিল। এরপর কথা-কাটাকাটি হয়।”সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম বলেন, “একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ হলের একটি কক্ষে অভিযান চালানো হয়। তবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে যা হয়েছে, অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
প্রকাশক: শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কাইয়ুম তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি, হাউস-২, রোড-৬, ব্লক-কে, আফতাবনগর, ঢাকা ১২১২।
কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা