প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইবিতে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে শিবিরের স্মারকলিপি
মাওয়াজুর রহমান , ইবি ||
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান ও শাহ আজিজুর রহমান হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ, মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও স্থায়ী সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়নসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুই হলের প্রভোস্টের কাছে দেওয়া পৃথক স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানানো হয়।স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ ও আবাসন নিশ্চিত করার মূল কেন্দ্র। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, শাহ আজিজুর রহমান হলে দীর্ঘদিন পর অ্যালটমেন্টের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। হলের বিভিন্ন রুমে অবৈধ অবস্থানকারীদের কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রাপ্য সিট থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং হলে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নিম্নোক্ত সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো উপস্থাপন করছে।শিবিরের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- অবৈধভাবে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ করে চলমান অ্যালটমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ এবং বরাদ্দপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশ; হলের সিট বণ্টনে মেধা, শিক্ষাবর্ষসহ যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে স্থায়ী লিখিত নীতিমালা প্রণয়ন, প্রতি ছয় মাস অন্তর নিয়মিতভাবে সিট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মেধার ভিত্তিতে বণ্টন, হলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত সিসিটিভি স্থাপন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং গেটে আনসারদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং ডাইনিংয়ে মানসম্মত, স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা।শাহ আজিজুর রহমান হল শাখার সভাপতি মারুফ হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে হলে কোনো অ্যালোটমেন্ট দেওয়া হয়নি; বর্তমানে চলমান অ্যালোটমেন্টের সময়সীমাও ২০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ২০ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে তাহলে সিট বণ্টনে এত দীর্ঘসূত্রতা কেন? অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ করে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ন্যায্য আবাসন অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।এ বিষয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা বলেন, ৫ আগস্টের পর হলের সিট বরাদ্দ ও বৈধতা নিয়ে নানা সমস্যা তৈরি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। ৩৪ জন শিক্ষার্থী টাকা জমা দিয়ে হলে অবস্থান করলেও অফিসিয়ালি বৈধ ঘোষণা করা হয়নি। পূর্বের কর্তৃপক্ষ ৮৬টি সিট বরাদ্দ দিলেও বাস্তবে ৩১ জনের সিট ফাঁকা ছিল না। এসব জটিলতা প্রশাসনিকভাবে দ্রুত সমাধান করে ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সিট প্রদান করা হবে।
প্রকাশক: শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কাইয়ুম তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি, হাউস-২, রোড-৬, ব্লক-কে, আফতাবনগর, ঢাকা ১২১২।
কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা