প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ আছে: বাঘের গালিবাফ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
ওয়াশিংটন ও তেহরানের অর্থনৈতিক শক্তির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আধিপত্যের দাবি নাকচ করে বলেছেন, 'ওয়াশিংটন তার শক্তির বড় অংশ ইতিমধ্যেই হারিয়েছে, অন্যদিকে তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু “কার্ড” রয়েছে, যা এখনো পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়নি।' রোববার রাতে নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। সেখানে তিনি একটি অর্থনৈতিক সমীকরণের কথা উল্লেখ করেন, যার একদিকে রয়েছে ইরানের সরবরাহভিত্তিক সক্ষমতা এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কৌশল।গালিবাফ বলেন, ইরানের হাতে রয়েছে কৌশলগত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুট ও সম্পদ, যেমন হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেল পরিবহন পাইপলাইন। এগুলোকে তিনি “সরবরাহ কার্ড” হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দাবি অনুযায়ী, এসব কার্ডের সবগুলো এখনো পূর্ণভাবে ব্যবহার করা হয়নি, কিছু আংশিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে, আবার কিছু এখনো অপ্রয়োগিত অবস্থায় রয়েছে।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের “চাহিদা কার্ড” প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়ের মতো পদক্ষেপ নিয়েছে বা নিচ্ছে। তবে এসব পদক্ষেপও সীমিত প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করেন তিনি।ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার আরও লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের কার্ড নিয়ে অতিরঞ্জিত ধারণা পোষণ করছে। তার ভাষায়, “ওরা কার্ড নিয়ে বড়াই করছে। দেখা যাক, সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।”তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারের চাপও ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে।সব মিলিয়ে গালিবাফের এই মন্তব্য নতুন করে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে অর্থনৈতিক কৌশলগত প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হচ্ছে।
প্রকাশক: শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
সম্পাদক: ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটি, হাউস-২, রোড-৬, ব্লক-কে, আফতাবনগর, ঢাকা ১২১২।
কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা